রাজনীতি
ঠাকুরগাঁওয়ের উপনির্বাচনে সেনা মোতায়েনের পরিকল্পনা নেই
২৯ অক্টোবর ঠাকুরগাঁও–১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন দেখছে না নির্বাচন কমিশন। জাতীয় নির্বাচনের তুলনায় প্রায় তিন গুণ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সদস্য রাখা হবে বলে জানিয়েছে কমিশন। নজরদারিতে থাকবে সিসিটিভি, বডি ক্যামেরা ও ড্রোন।
এই খবরটি আপাতত ইংরেজিতে পড়ুন
ঠাকুরগাঁও–১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের পরিকল্পনা নেই নির্বাচন কমিশনের। কমিশন বলছে, ২৯ অক্টোবরের ভোটের জন্য অন্য বাহিনী নিয়ে যে নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে, তা যথেষ্ট।
নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ জানিয়েছেন, ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচনের তুলনায় প্রায় তিন গুণ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সদস্য মোতায়েন করা হবে। পুলিশ, বিজিবি ও স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়নের অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে।
ভোটকেন্দ্র পর্যবেক্ষণে সিসিটিভি থাকবে। পরিস্থিতি রেকর্ড করা এবং কোনো ঘটনা ঘটলে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে বডি ক্যামেরা ও ড্রোনও ব্যবহার করা হবে। সানাউল্লাহর ভাষ্য অনুযায়ী, নির্বাচনী পরিবেশ এখনো সন্তোষজনক। আচরণবিধি নিরপেক্ষভাবে প্রয়োগ করতে কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
নির্বাচন ঘিরে কমিশনে তিনটি অভিযোগ এসেছে। একটি নিষ্পত্তি হয়েছে, বাকি দুটি তদন্তাধীন।
বাড়তি জনবল ও নজরদারির সরঞ্জাম ভোটারদের নিরাপদে ভোট দেওয়ার সুযোগ কতটা নিশ্চিত করবে, সেটিই এখন দেখার বিষয়। সিসিটিভির ফুটেজ সংরক্ষণ, সরাসরি নজরদারি এবং অভিযোগের দ্রুত ব্যবস্থা প্রযুক্তির কার্যকারিতার জন্য জরুরি। ভোটের আগে নিরাপত্তা পরিস্থিতির মূল্যায়ন বদলালে কমিশনকে তা-ও ব্যাখ্যা করতে হবে।
