রাজনীতি
সংখ্যাগরিষ্ঠের ক্ষমতায় ভারসাম্য চান শিক্ষাবিদেরা
নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেলেই যেন ক্ষমতা এক জায়গায় কেন্দ্রীভূত না হয়, সে জন্য সংবিধানে শক্ত ভারসাম্য চান শিক্ষাবিদেরা। সংসদীয় সংস্কার কমিটির বৈঠকে বিচার বিভাগের ভূমিকা, গোয়েন্দা সংস্থার জবাবদিহি, তত্ত্বাবধায়কব্যবস্থার সুরক্ষা এবং সমান অধিকারের বিষয়ে প্রস্তাব এসেছে।
এই খবরটি আপাতত ইংরেজিতে পড়ুন
নির্বাচিত সংখ্যাগরিষ্ঠের হাতে ক্ষমতা কেন্দ্রীভূত হওয়া ঠেকাতে সংবিধানে আরও কার্যকর ভারসাম্য ও জবাবদিহির ব্যবস্থা রাখার পরামর্শ দিয়েছেন শিক্ষাবিদেরা। সংসদের সংবিধান সংস্কারবিষয়ক কমিটির সঙ্গে বৈঠকে তাঁরা এ কথা বলেন।
বৈঠকে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর ক্ষমতার সীমা স্পষ্ট করার প্রস্তাব আসে। গোয়েন্দা সংস্থাসহ বলপ্রয়োগের ক্ষমতাসম্পন্ন প্রতিষ্ঠানগুলোর জবাবদিহি বাড়ানোর ওপরও জোর দেওয়া হয়।
সুপারিশের মধ্যে ছিল সংবিধানের ব্যাখ্যায় বিচার বিভাগের ভূমিকা নির্দিষ্ট করা, আলাদা সাংবিধানিক আদালত গঠনের বিষয়টি বিবেচনা করা এবং তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা ফিরলে তার প্রয়োজনীয় সুরক্ষা নিশ্চিত করা। নারী, জাতিগত জনগোষ্ঠী ও ধর্মীয় সম্প্রদায়কে প্রান্তিক করে না—এমন ভাষায় সমান অধিকার নিশ্চিত করার কথাও বলা হয়।
বিশেষ কমিটির সভাপতি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, বিরোধী দল প্রতিনিধি মনোনীত করলে তাদের অংশগ্রহণকে স্বাগত জানানো হবে। তবে তারা না এলেও কমিটির কাজ চলবে।
সংবিধানের পরিবর্তন টেকসই করতে খসড়া প্রণয়নের পাশাপাশি রাজনৈতিক গ্রহণযোগ্যতাও প্রয়োজন। ভিন্নমত প্রকাশ, সুপারিশ বাছাইয়ের কারণ ব্যাখ্যা এবং বিরোধী দল ও নাগরিকদের প্রস্তাব পর্যালোচনার সুযোগ দেওয়ার ওপর প্রক্রিয়াটির বিশ্বাসযোগ্যতা নির্ভর করবে।
