ব্যবসা
সমুদ্রে তেল-গ্যাসের দরপত্র জমার সময় বাড়ল মার্চ পর্যন্ত
সমুদ্রে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানের ২০২৬ সালের দরপত্র জমা দেওয়ার সময় চার মাস বাড়িয়ে ২০২৭ সালের ৩১ মার্চ করা হয়েছে। ভূতাত্ত্বিক তথ্য পর্যালোচনা ও প্রস্তাব তৈরির জন্য আন্তর্জাতিক তেল কোম্পানিগুলোর অনুরোধে সময় বাড়ানো হয়। অংশগ্রহণ বাড়াতে তথ্যের প্যাকেজ সংগ্রহও সহজ করা হচ্ছে।
এই খবরটি আপাতত ইংরেজিতে পড়ুন
সমুদ্রে তেল ও গ্যাস অনুসন্ধানে ২০২৬ সালের দরপত্র জমা দেওয়ার সময়সীমা ২০২৭ সালের ৩১ মার্চ পর্যন্ত বাড়িয়েছে বাংলাদেশ। আগের সময়সীমা ছিল ৩০ নভেম্বর। এতে আন্তর্জাতিক কোম্পানিগুলো আরও চার মাস সময় পাচ্ছে।
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ভূতাত্ত্বিক তথ্য পর্যালোচনা এবং প্রস্তাব তৈরির জন্য আন্তর্জাতিক তেল কোম্পানিগুলো বাড়তি সময় চেয়েছিল। তাদের সঙ্গে আলোচনার পর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
কোম্পানিগুলোর জন্য অনুসন্ধানসংক্রান্ত তথ্যের প্যাকেজ সংগ্রহও সহজ করা হচ্ছে। সমুদ্রে বড় বিনিয়োগের আগে ভূকম্পন জরিপসহ নানা কারিগরি তথ্য বিশ্লেষণ করতে হয়। সহজে তথ্য পাওয়া গেলে আরও কোম্পানি অংশ নেবে বলে আশা করছে সরকার।
দেশের গ্যাসক্ষেত্রগুলোর উৎপাদন কমছে। ব্যয়বহুল এলএনজি আমদানি বিদ্যুৎ উৎপাদন, শিল্প ও সরকারি ব্যয়ের ওপর চাপ বাড়াচ্ছে। এ অবস্থায় নতুন দেশীয় গ্যাসের উৎস গুরুত্বপূর্ণ।
তবে শুধু বেশি দরপত্র এলেই সফলতা নিশ্চিত হবে না। বিনিয়োগকারীরা কর ও আর্থিক শর্ত, চুক্তির স্থায়িত্ব, পরিবেশগত দায় এবং ভবিষ্যৎ মূল্যব্যবস্থাও বিবেচনা করবেন। বাড়তি সময়ে সুস্পষ্ট কার্যসূচি ও উৎপাদন ভাগাভাগির চুক্তিতে ঝুঁকির বণ্টন পরিষ্কার করার সুযোগ রয়েছে।