বাংলাদেশ
২০১৪ থেকে সড়কে ১ লাখ ২৫ হাজার মৃত্যু: যাত্রী কল্যাণ সমিতি
গণমাধ্যমের খবর পর্যবেক্ষণ করে ২০১৪ থেকে ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত সড়কে ১ লাখ ২৫ হাজার ৪০৫ মৃত্যুর হিসাব দিয়েছে যাত্রী কল্যাণ সমিতি। সংগঠনটি নিরাপদ গাড়ি, প্রশিক্ষিত চালক, পরিকল্পিত বাস নেটওয়ার্ক এবং রেল ও নৌপথের ব্যবহার বাড়ানোর সুপারিশ করেছে।
এই খবরটি আপাতত ইংরেজিতে পড়ুন
From ২২ অক্টোবর ২০২৬ — Daily Brief
২২ অক্টোবর ২০২৬ · ৮/২৫
২০১৪ সাল থেকে ২০২৬ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত দেশে ৭২ হাজার ৭৩৬টি সড়ক দুর্ঘটনায় ১ লাখ ২৫ হাজার ৪০৫ জন নিহত এবং ১ লাখ ৭৬ হাজার ২৪৯ জন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি। জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবসের আগে ২১ অক্টোবর সংগঠনটি এ হিসাব প্রকাশ করে।
গণমাধ্যমে প্রকাশিত দুর্ঘটনার খবর পর্যবেক্ষণ করে পরিসংখ্যানটি তৈরি হয়েছে। এটি সংগঠনটির সংকলন; প্রতিটি দুর্ঘটনা ও হতাহতের পূর্ণাঙ্গ সরকারি হিসাব নয়। সমিতির দাবি, প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতি আরও বেশি হতে পারে, তবে সেই অতিরিক্ত সংখ্যার সুনির্দিষ্ট হিসাব বিবৃতিতে দেওয়া হয়নি।
সমিতির মহাসচিব মোজাম্মেল হক চৌধুরী পরিবহন খাতের অব্যবস্থাপনা এবং সমন্বিত গণপরিবহন গড়ে না তুলে সড়কনির্ভরতা বাড়ানোর নীতিকে দায়ী করেছেন। ফিটনেসবিহীন গাড়ি, লাইসেন্সবিহীন বা অপ্রশিক্ষিত চালক, অতিরিক্ত গতি ও সড়ক নির্মাণের ত্রুটিও সংগঠনটি তুলে ধরেছে।
সুপারিশের মধ্যে রয়েছে চালকদের প্রশিক্ষণ ও বিশ্রাম নিশ্চিত করা, যানবাহনের ফিটনেস পরীক্ষা, সড়কের নিরাপত্তা নিরীক্ষা, নিরাপদ ফুটপাত এবং প্রয়োজনমতো যানবাহন আলাদা করে চলার ব্যবস্থা। পরিকল্পিত বাস নেটওয়ার্কের পাশাপাশি রেল ও নৌপথের ব্যবহার বাড়ানোর কথাও বলা হয়েছে।
মেয়াদোত্তীর্ণ যানবাহন স্ক্র্যাপ করা, বিআরটিএর সক্ষমতা বাড়ানো এবং পরিকল্পনা ও তদারকিতে পরিবহন বিশেষজ্ঞদের যুক্ত করার সুপারিশও রয়েছে। এ কাজে সহায়তার জন্য আধুনিক ট্রাফিক ট্রেনিং একাডেমি চেয়েছে সংগঠনটি।