প্রথম পাতায় ফিরুন

বিশ্ব

ধাহরানে আরামকোর কার্যালয়ে হুতি হামলা

সৌদি আরবের ধাহরানে আরামকোর সদর দপ্তরের একটি প্রশাসনিক ভবনে হুতি হামলায় সীমিত অগ্নিকাণ্ড হয়েছে। হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। সৌদি শেয়ারবাজারে দর কমেছে। হামলায় উৎপাদন বন্ধ হওয়ার খবর না থাকলেও জ্বালানি অবকাঠামোর নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বেড়েছে।

সৌদি আরবের ধাহরানে রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানি আরামকোর সদর দপ্তরের একটি প্রশাসনিক ভবন হুতি হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সৌদি জ্বালানি মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, হামলায় সীমিত অগ্নিকাণ্ড ঘটে।

আঞ্চলিক কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, ঊর্ধ্বতন নির্বাহীদের ব্যবহৃত ওপরের কয়েকটি তলা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

ইরানঘনিষ্ঠ হুতিরা বলেছে, ইয়েমেনের সরকারি বাহিনীকে রিয়াদের সমর্থনের জবাবে সৌদি বিমানবন্দর ও তেল স্থাপনায় হামলা চালিয়ে যাবে তারা। রিয়াদের বিমানবন্দরসহ সৌদি আরবের বিভিন্ন স্থানে একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার পর এ ঘটনা ঘটল।

সৌদি শেয়ারবাজারের প্রধান সূচক ১ দশমিক ৭ শতাংশ এবং আরামকোর শেয়ার ১ দশমিক ৬ শতাংশ কমেছে। সংঘাত ও হরমুজ প্রণালি ঘিরে পরিবহন ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কায় তেলের বাজার আগেই চাপে ছিল।

এখন পর্যন্ত পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, সরাসরি ক্ষয়ক্ষতি সীমিত; উৎপাদন বন্ধ হওয়ার খবরও নেই। তবে হামলার পুনরাবৃত্তি ও বিস্তৃতি অর্থনৈতিক ঝুঁকি বাড়াচ্ছে। বাংলাদেশের মতো জ্বালানি আমদানিকারক দেশের জন্য সৌদি অবকাঠামো বা নৌপথে দীর্ঘস্থায়ী ঝুঁকি তেল ও সারের খরচ বাড়াতে পারে।

বিশ্ব

চীনের রপ্তানি বেড়েছে ৩৬ শতাংশ, বাণিজ্য উদ্বৃত্ত এক লাখ কোটি ডলারের পথে

সেপ্টেম্বরে চীনের রপ্তানি এক বছর আগের তুলনায় ৩৬.৩ শতাংশ এবং আমদানি ৩১ শতাংশ বেড়েছে। সেমিকন্ডাক্টর ও গাড়ির রপ্তানিতে বড় প্রবৃদ্ধির ফলে নয় মাসে বাণিজ্য উদ্বৃত্ত হয়েছে ৯৩৮.১ বিলিয়ন ডলার। এই প্রবণতা যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের সঙ্গে বাণিজ্য উত্তেজনা বাড়াতে পারে।

বিশ্ব

পেট্রলের দাম বাড়ায় যুক্তরাষ্ট্রে মূল্যস্ফীতি ৩.৭ শতাংশ

সেপ্টেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রের ভোক্তা মূল্য আগের মাসের তুলনায় ০.৬ শতাংশ এবং এক বছর আগের তুলনায় ৩.৭ শতাংশ বেড়েছে। পেট্রলের দাম বাড়া এর বড় কারণ। খাদ্য ও জ্বালানি বাদ দিয়েও মূল্যচাপ বেড়েছে, ফলে ফেডারেল রিজার্ভ আবার সুদ বাড়াতে পারে—এমন প্রত্যাশা জোরালো হয়েছে।

বিশ্ব

রুশ হামলায় ইউক্রেনে ছয় লাখ মানুষ বিদ্যুৎহীন

ইউক্রেনে রুশ ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় তিনজন নিহত এবং অন্তত ছয় লাখ মানুষ বিদ্যুৎহীন হয়েছেন। কিয়েভ ও খারকিভের জ্বালানি স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে ইউক্রেন। জ্বালানি অবকাঠামোয় হামলা বন্ধের সমঝোতা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের দাবি থাকলেও মস্কো ও কিয়েভ চূড়ান্ত চুক্তির কথা নিশ্চিত করেনি।