স্বাস্থ্য ও খাবার
১ নভেম্বর থেকে খাদ্য ব্যবসায় নিবন্ধন, বিশেষ পণ্যে লাইসেন্স
১ নভেম্বর থেকে নির্ধারিত খাদ্য ব্যবসায় নিবন্ধন বা প্রযোজ্য লাইসেন্সের আবেদন করতে হবে। সাধারণ ১৬ শ্রেণির ব্যবসায় প্রথম নিবন্ধন বিনামূল্যে। বিশেষায়িত খাদ্যপণ্যে লাগবে লাইসেন্স। নিবন্ধনের মেয়াদ তিন বছর; প্যাকেটজাত খাদ্যে দিতে হবে বিএফএসএ নম্বর।
এই খবরটি আপাতত ইংরেজিতে পড়ুন
From ২২ অক্টোবর ২০২৬ — Daily Brief
২২ অক্টোবর ২০২৬ · ১৮/২৫
নতুন বিধির আওতাভুক্ত খাদ্য ব্যবসায়ীদের আগামী ১ নভেম্বর থেকে নিবন্ধন বা প্রযোজ্য লাইসেন্সের জন্য আবেদন করতে বলেছে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ। ২১ অক্টোবরের বিজ্ঞপ্তিতে কর্তৃপক্ষ জানায়, রাস্তার পাশের খাবারের দোকান থেকে রেস্তোরাঁ, বেকারি, উৎপাদক ও আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান এই ব্যবস্থার আওতায় আসবে।
প্রচলিত খাদ্য ব্যবসা ও বিশেষায়িত খাদ্যপণ্যের জন্য নিয়ম আলাদা। সাধারণ খাদ্য ব্যবসার নির্ধারিত ১৬ শ্রেণিতে নিবন্ধন লাগবে। প্রথমবার এই নিবন্ধন বিনামূল্যে করা যাবে। তবে বিশেষায়িত খাদ্যপণ্য নিয়ে কাজ করা নির্ধারিত ব্যবসাকে প্রযোজ্য লাইসেন্স নিতে হবে এবং নির্ধারিত ফি দিতে হবে।
বিশেষায়িত পণ্যের মধ্যে রয়েছে শিশুদের ফর্মুলা দুধ, সম্পূরক খাদ্য এবং বিশেষ রোগ বা পুষ্টির চাহিদা অনুযায়ী তৈরি খাবার। প্যাকেটজাত খাদ্যে বিএফএসএর নিবন্ধন নম্বর দিতে হবে। এতে ক্রেতারা প্রতিষ্ঠান শনাক্ত করতে এবং অভিযোগে নম্বরটি উল্লেখ করতে পারবেন।
নিবন্ধন ও লাইসেন্সের মেয়াদ হবে তিন বছর। এরপর নবায়ন করতে হবে। শুরুতে নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের জেলা কার্যালয়ে আবেদন নেওয়া হবে। পরে ধাপে ধাপে পুরো প্রক্রিয়া অনলাইনে চালুর কথা জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
প্রবিধানমালাটি ১৬ জুলাই গেজেট আকারে প্রকাশিত হয়। বাধ্যতামূলক নিবন্ধন বা লাইসেন্স ছাড়া ব্যবসা পরিচালনা নিরাপদ খাদ্য আইনে দণ্ডনীয় বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।