বাংলাদেশ
গাজীপুরের বিআরটি করিডর হবে ছয় লেনের সাধারণ সড়ক
প্রায় ২ হাজার ৮১০ কোটি টাকা ব্যয়ের পর গাজীপুর–বিমানবন্দর বিআরটি করিডর সাধারণ যানবাহনের জন্য ছয় লেনের সড়কে রূপান্তরের পরিকল্পনা হয়েছে। প্রকল্প বন্ধের আগে উন্নয়ন সহযোগীদের সঙ্গে আলোচনা ও চুক্তিসংক্রান্ত জটিলতা নিষ্পত্তি করতে হবে। গণপরিবহনের ক্ষতির আশঙ্কায় সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেছেন পরিকল্পনাবিদেরা।
এই খবরটি আপাতত ইংরেজিতে পড়ুন
From ২২ অক্টোবর ২০২৬ — Daily Brief
২২ অক্টোবর ২০২৬ · ১/২৫
গাজীপুর–বিমানবন্দর বাস র্যাপিড ট্রানজিট বা বিআরটি প্রকল্প বাদ দিয়ে করিডরটি সাধারণ যানবাহনের জন্য ছয় লেনের সড়কে রূপান্তরের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। প্রায় ২ হাজার ৮১০ কোটি টাকা ব্যয়ের পরও এই পথে নির্ধারিত বাসসেবা চালু হয়নি।
২১ অক্টোবর প্রকাশিত বিস্তারিত তথ্য অনুযায়ী, ১৮ অক্টোবর মন্ত্রিসভায় এ সিদ্ধান্ত হয়। পরদিন সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের চিঠিতে বিআরটির স্টেশন ও বিভাজক সরিয়ে দুই দিকে তিনটি করে লেন করার কথা বলা হয়। দুটি উড়ালসড়ক প্রশস্ত করার সম্ভাবনাও যাচাই করা হবে।
ঢাকা বাস র্যাপিড ট্রানজিট পিএলসি বিলুপ্ত করে দায়িত্ব সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরে দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। বাস্তবায়নের প্রাথমিক অগ্রগতি ১৫ দিনের মধ্যে জানাতে হবে। প্রকল্প আনুষ্ঠানিকভাবে বন্ধের আগে উন্নয়ন সহযোগীদের সঙ্গে আলোচনা এবং আইনি ও চুক্তিসংক্রান্ত জটিলতা নিষ্পত্তি করতে হবে।
২০ দশমিক ৫ কিলোমিটারের প্রকল্পটি ২০১২ সালে অনুমোদিত হয়। অধিকাংশ অবকাঠামো তৈরি হলেও বাস কেনার উদ্যোগ ব্যর্থ হওয়ায় সেবা চালু করা যায়নি।
নকশা ও সক্ষমতার সমস্যা দেখিয়ে বুয়েটের পর্যালোচনা দল সাধারণ সড়কে রূপান্তরের পক্ষে মত দিয়েছে। তবে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব প্ল্যানার্সসহ কয়েকটি পেশাজীবী সংগঠন এর বিরোধিতা করেছে। তাদের মতে, সব ধরনের যানবাহন চলতে দিলে গণপরিবহনের উদ্দেশ্য ব্যাহত হবে।