ব্যবসা
৩–৪ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুতের লক্ষ্যে অধ্যাদেশের খসড়ায় সায়
আগামী গ্রীষ্মের আগে ৩–৪ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুতের লক্ষ্যে বিনিয়োগ, দাম, ছাদের ভাড়া ও রক্ষণাবেক্ষণের নিয়ম স্পষ্ট করতে অধ্যাদেশের খসড়া অনুমোদন।
এই খবরটি আপাতত ইংরেজিতে পড়ুন
From ১৯ অক্টোবর ২০২৬ — Daily Brief
১৯ অক্টোবর ২০২৬ · ১১/২৫
ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ স্থাপন ত্বরান্বিত করতে রবিবার, ১৮ অক্টোবর একটি অধ্যাদেশের খসড়া অনুমোদন করেছে মন্ত্রিসভা। আগামী গ্রীষ্মের আগে ৩ হাজার থেকে ৪ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ সক্ষমতা স্থাপনের লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার।
‘বিশেষ সৌরবিদ্যুৎ স্থাপন অধ্যাদেশ, ২০২৬’-এর খসড়ায় নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হলেও লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের যাচাইয়ের শর্ত রাখা হয়েছে। সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে বৈঠকটি হয়।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি বলেন, সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পে আরও মানুষের অংশগ্রহণ এবং জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদার করাই এ উদ্যোগের উদ্দেশ্য। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, আমদানিনির্ভর জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার ও বিদ্যুৎ খাতে ভর্তুকির চাপ কমানোর পরিকল্পনার সঙ্গে এ কর্মসূচি যুক্ত।
অপারেশনাল এক্সপেন্ডিচার বা ওপেক্স মডেলে সরকারি প্রতিষ্ঠান, স্থানীয় সরকার সংস্থা ও রাষ্ট্রীয় কোম্পানির ভবনের ছাদে বিনিয়োগকারীদের অর্থায়নে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা বসানো হবে। নিজস্ব আয় আছে এমন প্রতিষ্ঠান ক্যাপিটাল এক্সপেন্ডিচার বা ক্যাপেক্স মডেলে নিজেরাও অর্থায়ন করতে পারবে।
দীর্ঘমেয়াদি বিদ্যুতের দাম, রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব এবং ছাদের ভাড়া হিসেবে বিদ্যুতের অংশ দেওয়ার নিয়মে যে ঘাটতি আছে, তা দূর করতে প্রস্তাবিত কাঠামোটি তৈরি হয়েছে। ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, এ ধরনের সেবা চুক্তির মেয়াদ ১৫ বছর হতে পারে।
নাসিমুল গনি বলেন, সরকারি ও বেসরকারি ভবন এবং অব্যবহৃত জমিতেও সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প করা যাবে। এ সম্প্রসারণে উৎসাহ দিতে সরকার আগেই প্রণোদনা ঘোষণা করেছে।