রাজনীতি
সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে সাইবার আইনে ব্যবস্থা নিতে আদালতের অনুমোদন চায় সম্পাদক পরিষদ
পেশাগত কাজের কারণে সাংবাদিককে গ্রেপ্তার, তল্লাশি বা নজরদারির আওতায় আনার আগে আদালতের অনুমোদন বাধ্যতামূলক করার দাবি জানিয়েছে সম্পাদক পরিষদ।
এই খবরটি আপাতত ইংরেজিতে পড়ুন
From ১৯ অক্টোবর ২০২৬ — Daily Brief
১৯ অক্টোবর ২০২৬ · ৯/২৫
পেশাগত কাজের কারণে সাংবাদিককে গ্রেপ্তার, তল্লাশি বা নজরদারির আওতায় আনার আগে আদালতের অনুমোদন বাধ্যতামূলক করার দাবি জানিয়েছে সম্পাদক পরিষদ।
১৮ অক্টোবর এক বিবৃতিতে প্রস্তাবিত সাইবার সুরক্ষা (সংশোধন) আইন, ২০২৬-এর জন্য ১২টি সুপারিশ জানিয়েছে সংগঠনটি। তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রীর বিবেচনার জন্য প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সৈয়দ আবদাল আহমদের কাছে সুপারিশগুলো জমা দেওয়া হয়েছে।
সাংবাদিকের ডিভাইস জব্দ বা তথ্যভান্ডারে প্রবেশের ক্ষেত্রেও বিচারিক অনুমতির প্রস্তাব দিয়েছে পরিষদ। জরুরি পরিস্থিতিতে নেওয়া ব্যবস্থা ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে আদালতের পর্যালোচনায় আনা এবং সংশ্লিষ্ট অভিযোগ জামিনযোগ্য রাখার দাবি জানানো হয়েছে।
সংবাদসূত্রের গোপনীয়তা রক্ষা এবং অনলাইন বক্তব্যসংক্রান্ত অপরাধের সংজ্ঞা স্পষ্ট করার কথাও রয়েছে। জনস্বার্থে সংবাদ প্রকাশ, রাজনৈতিক সমালোচনা, ব্যঙ্গ, কার্টুন ও অনিচ্ছাকৃত ভুলকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে অপরাধ হিসেবে বিবেচনা করা উচিত নয় বলে জানিয়েছে পরিষদ।
কনটেন্ট বন্ধ করার ক্ষেত্রে লিখিত কারণ জানানো, সংশ্লিষ্ট পক্ষকে বক্তব্যের সুযোগ দেওয়া এবং বিচারিক পর্যালোচনার ব্যবস্থা চাওয়া হয়েছে। সাংবাদিকতাসংক্রান্ত অভিযোগ নির্বাহী বা ভ্রাম্যমাণ আদালতে পরিচালনারও বিরোধিতা করেছে সংগঠনটি।
সম্পাদক পরিষদের সভাপতি নূরুল কবীর ও সাধারণ সম্পাদক দেওয়ান হানিফ মাহমুদ বিবৃতিটি দিয়েছেন। আইন সংশোধনের সময় সুপারিশগুলো যুক্ত করার দাবি জানিয়েছে পরিষদ।